প্রতিদিনের জীবন

প্রতিদিনের জীবন
ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয়

ইসলামী জীবন

ফরিদপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে পিস্তল ঠেকিয়ে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি, থানায় অভিযোগ

ফরিদপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে পিস্তল ঠেকিয়ে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি, থানায় অভিযোগ


ডেস্ক নিউজ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাছিরাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূরে আলম সিদ্দিকীকে পিস্তল ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি ও ৫০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তিনি ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাছিরাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নূরে আলম সিদ্দিকী আসন্ন নির্বাচনে আবারও চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর জেরে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ প্রকৃতির কিছু ব্যক্তি তাঁর কাছে ৫০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল।

গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ (রবিবার) অভিযুক্তদের একজন, সামিউর রহমান মিঠু, তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে নূরে আলম সিদ্দিকীকে ইউনিয়নের দরগাবাজারে আসার জন্য বলেন। তিনি সেখানে পৌঁছামাত্রই পূর্বপরিকল্পিতভাবে সামিউর রহমান মিঠুর নেতৃত্বে একদল লোক তাঁকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত ছরোয়ারের কাছে থাকা পিস্তল নিয়ে সামিউর রহমান মিঠু এবং অন্য অভিযুক্ত জহুরুল মুন্সী নিজের কোমর থেকে পিস্তল বের করে সরাসরি নূরে আলম সিদ্দিকীর দিকে তাক করেন। এ সময় তারা হুমকি দিয়ে বলে, নির্বাচনে অংশ নিতে হলে তাঁদের নগদ ৫০ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। চাঁদা না দিলে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে না এবং গুলি করে হত্যা করা হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

অভিযোগপত্রে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে সামিউর রহমান মিঠু (৩২), ছরোয়ার মোল্লা (৩৬), জহুরুল মুন্সী (৩৭), শুভ হাওলাদার (৩২), আলী হোসেন (৪৫), মিজান (৫০), সোহেল (৩২), আলামিন (২৮), নূরুলহক (৪২), পান্নু মাতুব্বর (৫৮) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাবেক চেয়ারম্যান নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, তিনি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই ঘটনায় তিনি পরিবারের সাথে আলোচনা করে ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ ও জানমালের নিরাপত্তা দাবি করেছেন।

ভাঙ্গা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

"পালাবো না, রাজনৈতিকভাবেই সব মোকাবেলা করবো"—শহিদুল ইসলাম বাবুল

"পালাবো না, রাজনৈতিক ভাবেই সব মোকাবেলা করবো"—শহিদুল ইসলাম বাবুল

ডেস্ক নিউজ

ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্য দিয়ে ‘যুব, ঐক্য, প্রগতি’ স্লোগানকে সামনে রেখে আলগী ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলগী ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন বালুর মাঠে আয়োজিত এই সম্মেলনে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা নেতাকর্মীদের ঢল নামে। পুরো প্যান্ডেলজুড়ে সাধারণ জনগণ ও যুবদলের কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সম্মেলনটি এক বিশাল জনসভায় পরিণত হয়। 

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান বাবুল বলেন, "আমরা মাঠ ছেড়ে পালাবো না, রাজনৈতিকভাবেই সব মোকাবেলা করবো।"  

​সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের সভাপতি রাজিব হোসেন রাজিব।  

কর্মী সম্মেলনে ভাঙা উপজেলা যুবদলের সংগ্রামী সভাপতি ওসমান মুন্সী-র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম আজম-এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাঙা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা। এছাড়া কর্মী সম্মেলনে যুবদল, বিএনপি ও এর সকল অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন।

সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে সভাপতি ওসমান মুন্সী তাঁর সমাপনী বক্তব্যে ঘোষণা করেন, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আগামীতে আলগী ইউনিয়নে সবার সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুন্দর ও সুসংগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দেওয়া হবে।  


ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিএসসি'র নির্মাণকাজের অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিএসসি'র নির্মাণকাজের অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট 

​ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের (টিএসসি) ভবন নির্মাণ ও ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়মের অভিযোগে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসী। 

১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ভাঙ্গা উপজেলার পূর্বসদরদীতে অবস্থিত টিএসসি এর ফটকের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘আলাউদ্দিন ট্রেডিং’-এর কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (আমমোক্তারনামা) সূত্রে কলেজের সার্বিক নির্মাণকাজ পরিচালনা করছেন ভাঙ্গার কোর্টপাড় নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা তোতা মিয়ার ছেলে মো. রাহাত হাসান।

তবে কাজের সার্বিক অগ্রগতি চলাকালেই একটি পক্ষ উক্ত নির্মাণকাজের বড় অঙ্কের পাওনা অর্থ ও হিসাব আটকে রেখে আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ তোলা হয়। এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মূল ঠিকাদার আলাউদ্দিন ট্রেডিং এর স্বত্বাধিকারী সিদ্দিকুর রহমান এবং অন্যতম অভিযুক্ত ভাঙ্গা কোর্টপাড় নিবাসী এসএএম মিজানুর রহমান পান্না জড়িত বলে মানববন্ধনে দাবি করেন বক্তারা। 

মানববন্ধনে উপস্থিত এলাকাবাসী অবিলম্বে ঠিকাদারি কাজের যাবতীয় স্বচ্ছ হিসাব দাখিল এবং বকেয়া সমস্ত পাওনা অর্থ দ্রুত বুঝিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানান।


বিক্ষুব্ধ বক্তারা বলেন, "শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণের অর্থ আত্মসাৎ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দ্রুত হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে পাওনা অর্থ পরিশোধ না করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।"

কর্মসূচিতে প্রকল্পের সাব-ঠিকাদার রাহাত হাসান মিয়া, ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম, ছাইদুল মাতুব্বর, মাসুদ মাতুব্বর, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি পান্না মিয়া ও হাবিবুর রহমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে আলাউদ্দিন ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বরং প্রকল্পের কাজের হিসাব অনুযায়ী সাব-ঠিকাদার রাহাত মিয়ার কাছে তার প্রায় ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে হিসাবপত্র জমা দিয়েছেন বলেও দাবি করেন।


ভাঙ্গায় হেবা দলিলকৃত জমি দখলে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

ভাঙ্গায় হেবা দলিলকৃত জমি দখলে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ


​ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পালক পিতার কাছ থেকে হেবা সূত্রে প্রাপ্ত জমি দখলে বাধা ও বাড়ি নির্মাণকাজ বন্ধসহ প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে গত ০২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মানিক মাতুব্বর (২৬) নামের এক যুবক বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের গোয়ালদী গ্রামের মানিক মাতুব্বরকে ছোটবেলা থেকেই সন্তান স্নেহে লালন-পালন করেন নিঃসন্তান মান্নান মাতুব্বর। মান্নান মাতুব্বর জীবিত থাকা অবস্থায় তাঁর নিজ মালিকানাধীন ১১৭ নং গোয়ালদী মৌজার আর.এস ৪৫৫, এস.এ ৩৩৭, ৩৯, বুজরত খতিয়ান নং-৬২০, ৪৪৩ এর আর.এস খতিয়ান নং-৫৩১ এর আর.এস/এস.এ দাগ নং-৫৬২, বি.এস দাগ নং-৭৩৮ এর ২৫ শতাংশ এবং আর.এস/এস.এ দাগ নং-৩৪৩, বি.এস দাগ নং-৪৪৫ এর ৩৭ শতাংশ—মোট ৬২ শতাংশ জমির মধ্যে ২৬ শতাংশ জমি মানিক মাতুব্বরকে রেজিস্ট্রি হেবা দলিল (দলিল নং-৪৮১১, তারিখ: ২৪/১০/২০১৭) মূলে হস্তান্তর করেন।

​ভুক্তভোগী মানিক মাতুব্বর জানান, পালক পিতা মান্নান মাতুব্বরের মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর চাচা কালাম মাতুব্বর (৫৮), চাচাতো ভাই মোস্তফা ওরফে কালোন মাতুব্বর (৬০), সুজন মাতুব্বর (৩০) ও ছকের উদ্দিন মাতুব্বর (২৫) উক্ত জমি ও আমার পালক মায়ের নামে থাকা জমি নিয়ে বিভিন্নভাবে বিরোধ সৃষ্টি ও হয়রানি করে আসছেন।

​তিনি আরও জানান, রেজিস্ট্রিকৃত জমিতে তিনি বসতবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে অভিযুক্তরা বাধা প্রদান করেন। গত ০২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯:৩০ ঘটিকায় রাজমিস্ত্রি দিয়ে ঘরের কাজ করাকালে অভিযুক্তরা কাজ বন্ধ করে দেন এবং পুনরায় কাজ শুরু করলে খুন-জখমের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। 

এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিস বৈঠক হলেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

​এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মানিক মাতুব্বর ভাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা সাক্রাতুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে। 

তুজারপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা বদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, শোকজ

তুজারপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা  বদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, শোকজ

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা বদিউজ্জামান বদুর বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সেবা গ্রহীতাদের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও ভুয়া নথির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। 

সেবাগ্রহীতাদের নানামুখী হয়রানি, জমি জবরদখল ও প্রশাসনিক অবহেলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তুজারপুর ইউনিয়ন তহসিলদার বদীউজ্জামান বদুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। প্রশাসনিক দোহাই দিয়ে শোকজ করা হলেও অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে এই কর্মকর্তার দুর্ধর্ষ সব অপরাধচিত্র।

​অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগীদের সমষ্টিগত বক্তব্য অনুযায়ী, তুজারপুর ইউনিয়ন তহসিলদার বদীউজ্জামান বদু জালিয়াতির এক সুচতুর ফাঁদ পাতেন। তিনি কাপুড়িয়া সদরদি এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের মূল অর্থদাতা বদীউজ্জামান বদু নিজে হলেও, প্রতারণার মাধ্যমে কৌশলে দলিলে নিজের নামের পাশাপাশি তাঁর ঘনিষ্ঠ আরও পাঁচজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন।

তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল জমিটির প্রকৃত অংশীদারদের প্রতারিত করা ও ঠকানো। জমি ক্রয়ের পর সেই জায়গার ওপর একটি অস্থায়ী ছাঁপরা ঘর উত্তোলন করে জমিটি কৌশলে রেললাইনের অধিগ্রহণের আওতায় ফেলেন। ছাঁপরা ও ভুয়া স্থাপনার সরকারি ক্ষতিপূরণের টাকা ইতিমধ্যেই নিজের ও সহযোগীদের নামে তুলে নিয়েছেন তিনি। বর্তমানে মূল জমির ক্ষতিপূরণের সুবিধাও প্রকৃত অংশীদারদের বঞ্চিত করে, নিজের ও দলিলে থাকা অন্য পাঁচজনের নামের ওপর ভর করে পুরো টাকা আত্মসাতের পায়তারা চালাচ্ছেন তিনি। আদালতের আশ্রয় নিয়েও ক্ষমতার দাপটে টানা দুই বছর ধরে মূল পাওনাদারদের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছেন এই তহসিলদার।

​স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর যৌথ বিবৃতিতে জানা যায়, তহসিলদার বদীউজ্জামান বদুর স্থায়ী বাড়ি গোপালগঞ্জ এলাকায় হলেও অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ভাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন পৌর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ঘুষ-দুর্নীতির অবৈধ টাকায় তিনি ফরিদপুর শহর এবং ভাঙ্গা পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী এলাকায় স্বপন ডাক্তারের বাড়ির পার্শ্ববর্তী স্থানে গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল বহুতল ভবন।

এলাকাবাসী চরম ক্ষোভের সাথে জানান, যেখানেই তাকে বদলি করা হোক না কেন কিছুদিনের মধ্যেই তিনি আবারও রহস্যজনক ভাবে ভাঙ্গায় স্বপদে বহাল হয়ে আসেন।

​তুজারপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা নিতে এসে প্রতিদিন হয়রানির শিকার হওয়া সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ—সাধারণ মানুষের সাথে চরম দুর্ব্যবহার, ঘুষ দাবি এবং ভুয়া কাগজ বানিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা ঝুলিয়ে রাখা এই কর্মকর্তার নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। 

সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা হলে তারা জানান, এই তহশিলদার একটা মিউটেশনের জন্য পাচ থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন। শুধু তাই নয় তার কাছে কাজ দিলে দীর্ঘদিন ঘুরান। এছাড়াও তিনি কাজ নেওয়ার পর নানা টাল বাহানায় আরও টাকা দাবী করেন এবং টাকা না দেওয়া পর্যন্ত তার নিকট থেকে মিউটেশন পাওয়া যায় না। আমরা এই অত্যাচার থেকে মুক্তি চাই। 

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এই অফিসের অফিস সহায়ক জুলহাস সেবা নিতে আসা প্রায় সকলের সাথেই দুর্ব্যবহার করেন। প্রায় প্রত্যেকের সাথেই নোংরা ভাষা ব্যবহার করেন। আমরা কি সেবা নিতে এসে অন্যায় করেছি।  

​ইউএনও কর্তৃক শোকজ পাওয়ার কথা স্বীকার করে এই কর্মকর্তা জানান, প্রশাসনিক অবহেলার কারণে তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তিনি নির্ধারিত সময়ে শোকজের জবাব দেবেন। তবে তিনি সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও মিউটেশন বাবদ অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। 

এলাকাবাসী ও প্রতারিত ভুক্তভোগীদের জোর দাবি, হোগলাডাঙ্গী সদরদী ও কাপুড়িয়া সদরদী এলাকার জালিয়াতিসহ তাঁর যাবতীয় অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বিক্ষোভের মুখে যারা পালিয়ে যায় তারা আবার ফিরে এসে কখনো রাজনীতি করতে পারে না - শহীদুল ইসলাম বাবুল

বিক্ষোভের মুখে যারা পালিয়ে যায় তারা আবার ফিরে এসে কখনো রাজনীতি করতে পারে না - শহীদুল ইসলাম বাবুল

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, সময় পেলেই এলাকার মানুষের কাছে চলে আসি, তাদের সমস্যার কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করি। কিন্তু আরেকটি দল আছে তারা শুধু গিবত আর প্রতিহিংসা নিয়ে আছে, কিভাবে সরকারকে বিরক্ত করা যায়। রাতের আধারে কোনো এক জায়গায় ফুসফাস করে মাথা জাগান দেয়, বিদেশ থেকে পলাতক গ্রুপ এদেরকে ইন্ধন দেয় আর এরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ন স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথাগুলো বলেন শহিদুল ইসলাম বাবুল।

তিনি আরো বলেন, এদের রাজনীতিতে কোনো ভবিষ্যত নেই। দুনিয়ার ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যাবে না যারা বিক্ষোভের মুখে পালিয়ে যায় তারা আবার ফিরে এসে কখনো রাজনীতি করতে পারে, দুনিয়ার ইতিহাসে এটা নেই।

শহিদুল ইসলাম বাবুল আরো বলেন, আরেক গ্রুপ আছে মনের আনন্দে তারা লংমার্চ করছে, সরকারকে কিভাবে বিব্রত করা যায় তা করার জন্য তারা ব্যস্ত। অর্থনৈতিক সংকট চলছে, তারা সরকারকে সহযোগীতা না করে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। এতে কোনো লাভ হবেনা। গণঅভ্যুত্থান সকালে বিকালে হয় না। অলিক স্বপ্ন দু:স্বপ্নে পরিনত হবে।

এ সময় ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বিটু মুন্সি, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তুরান, ঢাকা মহানগর যুবদল পল্টন থানার সদস্য ইমন মিয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রিপন মিয়া, সাবেক পুলিশ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসউদ্দিনসহ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।  


ভাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

ভাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহনে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিন ​বিকেল ৫ টায় ভাঙ্গা দক্ষিণ পাড় বাস স্ট্যান্ড থেকে ব্যানার-ফেস্টুনসহ একটি আনন্দ র‍্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে ভাঙ্গা গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

র‍্যালির শুরুতে আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বাবুল।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বিটু মুন্সি, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তুরান,  দপ্তর সম্পাদক কুতুবউদ্দিন স্মরণ, পৌর যুবদলের সভাপতি উসমান মুন্সিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই নেতাকর্মীদের প্রধান কাজ। উপজেলা ও পৌর এলাকার প্রতিটি স্তরে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে একটি ইতিবাচক, জনবান্ধব রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। 

ফরিদপুরে কৃষক - কৃষাণীদের মাঝে বিনামুল্যে ফলদ বৃক্ষের চারা বিতরণ

ফরিদপুরে কৃষক - কৃষাণীদের মাঝে বিনামুল্যে ফলদ বৃক্ষের চারা বিতরণ

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পার্টনারশীপ ইন ব্র্যাক ব্যাংক-ডিএই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পভুক্ত কৃষি উন্নয়ন সমিতির কৃষক, কৃষাণী ও সমিতির পার্শ্ববর্তী কৃষক, কৃষাণীদের মাঝে বিনামুল্যে বিভিন্ন ফলদ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে। কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে ৩২০ জন কৃষকের প্রতিজনকে ১০ টি করে মোট ৩২০০ টি গাছের চারা দেওয়া হয়। 

রোববার (৩০ আগস্ট) ভাঙ্গা উপজেলা হামিরদি ইউনিয়নের বাসস্টান্ড সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম উপপরিচালক (লিসাসা) ও অত্র প্রকল্পের প্রকল্প পরিচলক,  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি ফরিদপুর এর উপ- পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শাহাদুজ্জামান, ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ    মিজানুর রহমান,  উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ খয়ের উদ্দিন মোল্লা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোল্লা আল মামুন এবং সঞ্চালনা করেন অত্র প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার শারমিন সুলতানা। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, কৃষকদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষকদের পাশে থেকে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের চারা বিতরণ কার্যক্রমকে তিনি স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, শুধু চারা বিতরণ করলেই হবে না, বিতরণ করা চারাগুলো সঠিকভাবে রোপণ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। এতে একদিকে যেমন কৃষক উপকৃত হবেন, অন্যদিকে পরিবেশও সুরক্ষিত হবে।

বিশেষ অতিথি কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম বলেন, দুই বছর আগে এ প্রকল্পটি শুরু হয়েছে। দেশে মাত্র ২৭ টি উপজেলায় এ প্রকল্পের অধিনে কৃষি উন্নয়ন সমিতি গঠন করা হয়েছে। এ সমিতির সদস্যগণ তারা নিজেরা ইতোমধ্যে স্বাবলম্বী হতে সক্ষম হয়েছে। এই প্রকল্পটি যদি রাজস্ব খাতে নেওয়া যায় তাহলে সারা দেশেই এই সমিতি গঠন করে কৃষকদের স্বাবলম্বী করে তোলা সম্ভব। 




 

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে কটূক্তির অভিযোগে ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের অপসারণ দাবি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে কটূক্তির অভিযোগে ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের অপসারণ দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট 

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন না করা, ধর্মীয় বিষয়ে কটূক্তি এবং নানাবিধ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেসা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের দ্রুত অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ আগষ্ট শুক্রবার বাদ জুমা ভাঙ্গা ঈদগাহ মাঠে সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা ও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্যোগে এই বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে আগামী ৩ দিনের মধ্যে বিতর্কিত এই প্রধান শিক্ষককে অপসারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

​বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত নিজ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে চরম অনীহা প্রকাশ করেছেন এবং এ নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। এছাড়া ৫ই আগস্টের পরবর্তী সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নেও তিনি গড়িমসি করেন।

​বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলা, অর্থ আত্মসাৎ ও একাধিক অনিয়মের তদন্ত চলমান রয়েছে। তিনি নিয়মিত সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাংবাদিকদের সাথে অসদাচরণ ও অপেশাদার আচরণ করে আসছেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহর প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবত এসব অপকর্ম করে পার পেয়ে আসছেন বলে সমাবেশে দাবি করা হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—সাবেক অভিভাবক সদস্য মিঞা মোহাম্মদ আলমগীর, ​বিশিষ্ট সমাজসেবক হেমায়েত হোসেন, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এনায়েত মুন্সী, ছাত্রনেতা আকাশসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লিবৃন্দ।

​বক্তারা অবিলম্বে অরুণ চন্দ্র দত্তকে পদ থেকে বরখাস্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে পদায়নের জোর দাবি জানান। অন্যথায় তিন দিন পর বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

ফরিদপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে হুমকি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে হুমকি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক রিপোর্ট

ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক কিশোরীকে (১৪) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর বাদী ও ভুক্তভোগীর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের সদস্যদের সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেলে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায় একই এলাকার রুমান খন্দকার (২০)। পরবর্তীতে তাকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন ও জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ২০ জুন সকালে কৌশলে পালিয়ে এসে পরিবারকে বিষয়টি জানায় ভুক্তভোগী। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর দাদি জহুরন খাতুন বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৭/৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ০৪)।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত রুমান খন্দকার ও তার পরিবার মামলা প্রত্যাহার করার জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছে। শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ প্রোপাগান্ডা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।

পরিবারের দাবী ​সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার অবিলম্বে বন্ধ করা এবং সাইবার সুরক্ষা আইনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সাথে ​ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ​মেডিকেল রিপোর্ট ও ওসিসির প্রমাণাদির ভিত্তিতে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

অবৈধ ড্রেজার বন্ধে ভাঙ্গায় দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

অবৈধ ড্রেজার বন্ধে ভাঙ্গায় দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কৃষিজমি রক্ষা, নদীভাঙন রোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। 

ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপজেলার আলগী ও তুজারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে দিনভর বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি সরাসরি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাদ্রুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে অনুমোদনহীনভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন ও জলাশয় ভরাটের দায়ে একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত শক্তিশালী ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে জলাশয় ভরাট ও ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছিল। এছাড়া বালু উত্তোলন ও পরিবহনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হওয়া এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত মোঃ মিরাজ হাওলাদার (পিতা: হারুন হাওলাদার, গ্রাম: পাখিমারা, থানা: কলাপাড়া, জেলা: পটুয়াখালী) নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাঁকে "বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০"-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায়পূর্বক সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে তাঁর কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।

​অভিযান চলাকালে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্পটে ড্রেজার পরিচালনাকারীদের পাওয়া না গেলেও স্থানীয় এলাকাবাসীকে অবৈধ বালু উত্তোলনের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। নদী ও ফসলি জমি রক্ষায় কোথাও অবৈধ ড্রেজার বসানো হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরো অভিযানে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে ভাঙ্গা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাদরুল আলম জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় নদীভাঙন রোধ ও কৃষিজমির সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের কঠোর অভিযান ও নজরদারি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান ডেস্ক রিপোর্ট ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলায় জুলাই ২০২৬ মাসে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন। জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় ফরিদপুর জেলার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী। সভায় জুলাই’ ২৬ মাসে সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত ভূমিকার ফলশ্রুতিতে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার, পরোয়ানা নিষ্পত্তি, প্রসিকিউশন দাখিল, মামলা নিষ্পত্তি, দাপ্তরিক কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখায় দায়িত্বশীল ভূমিকা, পেশাদারিত্ব ও কর্মস্পৃহার জন্য প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং অর্থ পুরষ্কার প্রদান করা হয়। ক্রেষ্ট ও অন্যান্য পুরস্কার প্রদান করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সংস্থা হতে আগত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলায় জুলাই ২০২৬ মাসে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় ফরিদপুর জেলার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী।

সভায় জুলাই’ ২৬ মাসে সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত ভূমিকার ফলশ্রুতিতে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার, পরোয়ানা নিষ্পত্তি, প্রসিকিউশন দাখিল, মামলা নিষ্পত্তি, দাপ্তরিক কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখায় দায়িত্বশীল ভূমিকা, পেশাদারিত্ব ও কর্মস্পৃহার জন্য প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং অর্থ পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

ক্রেষ্ট ও অন্যান্য পুরস্কার প্রদান করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সংস্থা হতে আগত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি, ভাঙ্গা (ফরিদপুর):

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ‘ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১১ বছর একই কর্মস্থলে অবস্থান করে চরম স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে অবিলম্বে বদলির দাবি জানিয়েছেন স্থাকনীয় বাসিন্দা, আজীবন দাতা সদস্য ও অভিভাবকরা।

​সম্প্রতি এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে অভিযোগপত্রটি জমা দেন মোঃ মনিরুল হক মোল্লা।

​অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে এই একই বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন থাকার সুযোগে তিনি চরম স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছেন এবং কাউকে তোয়াক্কা না করে মনগড়াভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন।

​তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

১. উপস্থিতি ও পাঠদানে অনিয়ম: সরকারি নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করে তিনি নিজের ইচ্ছামত সময়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন। নিয়মিত ও সঠিকভাবে ক্লাসে পাঠদান না করায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

২. স্বেচ্ছাচারিতা ও স্থানীয় রাজনীতিতে লিপ্ত: প্রধান শিক্ষিকা স্থানীয় গ্রাম্য দলাদলি ও নোংরা রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়। তিনি মনগড়া কিছু ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি ও যাবতীয় দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড গোপনীয়ভাবে পরিচালনা করছেন।

৩. দাতা সদস্যকে অবমূল্যায়ন ও আইনি অবহেলা: বর্তমানে বিদ্যালয়ের জায়গা-জমি সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান থাকলেও, বিদ্যালয়ের মান্যবর দাতা সদস্যকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রদান বা কোনো পরামর্শ করা হয় না। এমনকি আইনি বিষয়েও তার সাথে কোনো যোগাযোগ রাখা হয়নি।

৪. ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা: বিদ্যালয়টির অনুকূলে একটি বড় ধরনের সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে (উল্লেখ্য, বিগত ২৭/১১/২০২৩ সালে স্কুলের অনুকূলে একটি ভবনের অনুমোদন হয়)। তবে বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা বহাল থাকলে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির কারণে এই মেগা উন্নয়নমূলক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে লিখিত আবেদনে জানানো হয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার স্বার্থে উক্ত বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা দরকার। একইসাথে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অনতিবিলম্বে স্থানান্তরিত/বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হোসনেয়ারা ইয়াসমিনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পুর্বেও হয়েছে। আমি ২০১১ সাল থেকে এ বিদ্যালয়ে আছি। অভিযোগ যেহেতু আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট দেওয়া হয়েছে, তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে।

ভাঙ্গা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহসিন মোল্লা মুঠোফোনে জানান, আমি সারাদিন সদরপুরে ছিলাম, অভিযোগের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। 

ফরিদপুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও অসহায় নারীদের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ সেলাই মেশিনসহ নানা উপকরণ বিতরণ

ফরিদপুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও অসহায় নারীদের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ সেলাই মেশিনসহ নানা উপকরণ বিতরণ

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুর সদর উপজেলায় নদী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অসহায় ও দুস্থ নারী ও মেধাবী ছাত্রীদের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন, বাই সাইকেল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। 

৬ জুলাই (সোমবার) ফরিদপুর সদর উপজেলা চত্বরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

 


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া।

এ সময় নদী ভাঙন কবলিত ৫০ টি পরিবারকে ২ হাজার টাকার চেক, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থ ২১ টি পরিবারকে ১ বান্ডেল করে ঢেউটিন ও তিন হাজার টাকা এবং ৫০ টি পরিবারকে শুকনা খাবার (১০ কেজি চাল, ডাল, তেল, লবন, চিনি, হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া ও ধনিয়া গুড়া) এর প্যাকেট প্রদান করা হয়।

এছাড়াও ২০২৫ - ২০২৬ অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ফরিদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫০ জন অসহায় নারীকে বিনামুল্যে একটি করে সেলাই মেশিন এবং ৪০ জন দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রীকে একটি করে বাই সাইকেল প্রদান করা হয়। 

এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রনব পান্ডেসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ভ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


ফরিদপুরে ১৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সবজি বীজ ও সার বিতরণ

ফরিদপুরে ১৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সবজি বীজ ও সার বিতরণ

ডেস্ক রিপোর্ট 

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সবজি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সবজি বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১ টায় ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ফরিদপুরে ৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। 

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শামিমা আক্তার শাপলা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ তাবরিজ, মহানগর বিএনপি'র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিনান, কোতোয়ালি বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধুরী রঞ্জন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আনোয়ার হোসেন।এছাড়াও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সদস্য ও কৃষান-কৃষানীরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে ফরিদপুর সদর উপজেলায় ১ হাজার ৫ শত জন কৃষককে প্রতিজনকে ৮ প্রকারের সবজি বীজ, ৩০ কেজি করে রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।

কৃষি কর্মকর্তা জানান, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে সে লক্ষে সরকারের এ উদ্যোগ। প্রতিটি বাড়ির আঙিনা এবং তার আশপাশের পতিত বা অনাবাদি জমি যেন এক একটি সবজি বাগানে পরিণত হয়। এতে প্রত্যেক পরিবার তাদের নিজেদের সবজির চাহিদা পুরন করেও বাকিটা বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে। 


ফরিদপুরে বিনামুল্যে ধান বীজ ও সার পেলো ২৮০০ জন কৃষক

ফরিদপুরে বিনামুল্যে ধান বীজ ও সার পেলো ২৮০০ জন কৃষক

ডেস্ক রিপোর্ট 

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশি রোপা আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে উফশি রোপা আমন ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। 

এছাড়াও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯ টায় ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মাল্টিপারপাস হলরুমে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ মাজহারুল ইসলাম। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শাহাদুজ্জামান। এছাড়াও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আনোয়ার হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোঃ শফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাসুদ রানাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ ও কৃষান-কৃষানীরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে ফরিদপুর সদর উপজেলায় ২ হাজার ৮ শত জন কৃষককে প্রতিজনকে ৫ কেজি করে উচ্চ ফলনশীল উফশি রোপা আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও। ২৩৫ টি প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে ২ হাজার ৬ শত ৩০ টি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।  


ফরিদপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে ধান বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ

ফরিদপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে ধান বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ

জহিরুল ইসলাম, ভাঙ্গা

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে গাছের চারা, আমন ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। 

শুক্রবার (২৬ জুন) ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বাবুল।

ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল্লা আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোঃ সাদরুল আলম, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মোল্লাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ ও কৃষান-কৃষানীরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে ১১১০ জন কৃষককে প্রতিজনকে ৫ কেজি করে উচ্চ ফলনশীল আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও ১০ কেজি আরে এমওপি সার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ২২১০ জনকে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেক কৃষককে ৫ টি চারা এবং প্রতিষ্ঠান প্রতি ১৫ টি করে চারা বিতরণ করা হয়েছে। 

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন জলাশয়ে দেশীয় পোনামাছ অবমুক্ত করেন। এছাড়া শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জন্য চেয়ার বিতরণ এবং একটি মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। তাছাড়া জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিদর্শন ও উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, কৃষি, মৎস্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 


ফরিদপুরে জনতা ব্যাংক এর বিভাগীয় শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে জনতা ব্যাংক এর বিভাগীয় শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন অনুষ্ঠিত 

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরে জনতা ব্যাংক পিএলসি এর ফরিদপুর বিভাগীয় শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ১০.৩০ টায় শহরের আলীপুরে এসডিসি'র সম্মেলন কক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা ও কুষ্টিয়া জেলার ৫৫ জন শাখা ব্যবস্থাপক অংশ নেন।

জনতা ব্যাংকের ফরিদপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মোঃ সহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান। এ ছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন জনতা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান। অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা বীরমুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক শাহাজাদা মিয়া। 

প্রধান অতিথি মোঃ মজিবর রহমান তার বক্তব্য প্রদানকালে অবলোপন আদায় ও প্রতিটি শাখাকে সিএল মুক্ত করাসহ ২০২৬ সালে ফরিদপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখাগুলোর জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সকল শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া সিএমএসএমই ঋণ বিতরণ বৃদ্ধি, স্বল্প সুদে আমানত সংগ্রহ, রেমিটেন্স বৃদ্ধি, শ্রেণিকৃত আদায়  ও গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি এ সময় স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয়ী মনোভাব তৈরি জনতা ব্যাংক কাজ করছে বলে জানান তিনি।





ফরিদপুরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা মাল্টিপারপাস হলরুমে বুধবার দিনব্যাপী পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ কর্মশালার আয়োজন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ শাহাদুজ্জামান। 

স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোল্লা আল মামুন। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রমজান আলী। 

কর্মশালায় খোরপোষ কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরের বিভিন্ন কলাকৌশল তুলে ধরা হয়। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ২৫ জন কৃষক নিয়ে একটি করে পার্টনার ফিল্ড স্কুল গঠন করা হয়েছে।

কর্মশালার মাধ্যমে জানানো হয় উন্নত কৃষি চর্চার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য ভোক্তাদের কাছে পৌছানোই এ স্কুলের অন্যতম একটা উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে

নিরাপদ ও পুষ্টিমানসম্পন্ন ফসলের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিতকরণ, পরিবেশ সহনশীল ফসল উৎপাদন নিশ্চিতকরণ এবং কর্মীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ সাধন, খাদ্য শৃঙ্খলের সকল স্তরে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিসমূহ অনুসরণ করা, ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মানসম্পন্ন উচ্চমূল্য ফসলের উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধি করা। 

বক্তারা জানান, চাষাবাদে যদি এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তাহলে খাদ্যের পুষ্টিগুণ বজায় থাকবে। পাশাপাশি কৃষক ও ভোক্তাসহ সকলেরই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাজার ব্যবস্থাপনাও এর সঙ্গে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। এতে আমাদের দেশের খাদ্যের চাহিদা পুরন করে আমরা আমাদের উৎপাদিত খাদ্যশস্য বিদেশাও রপ্তানি করতে পারবো। 


ভাঙ্গায় সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা উন্নয়ন নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

ভাঙ্গায় সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা উন্নয়ন নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী রেল ক্রসিং সংলগ্ন অস্থায়ী গরুর হাটকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা উপজেলা উন্নয়ন নাগরিক ফোরামের আয়োজনে   সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে হাট চলাবস্থায় ক্রেতা, বিক্রেতা ও হাট পরিচালনা কমিটির সদস্যগণ সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ভাঙ্গা পৌরসভার ভেতরে গরুর হাট ছিলোনা। ভাঙ্গাবাসীর জোরালো দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল ও জেলা প্রশাসক, ইউএনও এসি ল্যান্ডের সার্বিক সহযোগিতায় মে মাস থেকেই অস্থায়ী গরুর হাট চলমান রয়েছে।

এখানে নাম মাত্র হাসিল আদায় ও ক্রেতা বিক্রেতার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় হাট ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের দাবি অস্থায়ী এ গরুর হাটকে স্থায়ী করা হোক। একই সাথে আগামী ২২ মে শুক্রবার থেকে হাট শুরু করে পবিত্র ঈদুল আজহার আগের দিন পর্যন্ত চলমান রাখার বিষয়ে সকলেই প্রশাসনের কাছে জোরালো দাবি জানান।

ক্রেতা বিক্রেতাদের দাবি ও ভাঙ্গাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের জন্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন হাট কতৃপক্ষ। এসময় বক্তারা আরো বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি। আগামীতে হাটের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ও সকলের দাবি পূরণে অবশ্যই প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

ভাঙ্গা গরুর হাট কমিটির সভাপতি সাবেক ভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহিদুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, মেজর (অবঃ)  জাহাঙ্গীর হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমারত হোসেন, ভাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বিশ্বাস, পৌর কাউন্সিলর বাকি মাতুব্বর, পৌর কাউন্সিলর জাকির মুন্সী, হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য ব্যবসায়ী ইসমাইল মুন্সী, ব্যবসায়ী ওয়াহিদুজ্জামান মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসান, মিজানুর রহমান মুন্সী, ব্যবসায়ী গোলাম মাওলা, ফেরদাউস মুন্সী, ইমরান মুন্সী প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন ব্যবসায়ী দিদার মিয়া।