প্রধান সংবাদ

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে কটূক্তির অভিযোগে ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের অপসারণ দাবি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে কটূক্তির অভিযোগে ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের অপসারণ দাবি ডেস্ক রিপোর্ট  সরকারি নির্দেশনা অমান...

প্রতিদিনের জীবন

প্রতিদিনের জীবন
ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয়

ইসলামী জীবন

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে কটূক্তির অভিযোগে ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের অপসারণ দাবি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে কটূক্তির অভিযোগে ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের অপসারণ দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট 

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন না করা, ধর্মীয় বিষয়ে কটূক্তি এবং নানাবিধ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেসা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের দ্রুত অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ আগষ্ট শুক্রবার বাদ জুমা ভাঙ্গা ঈদগাহ মাঠে সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা ও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্যোগে এই বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে আগামী ৩ দিনের মধ্যে বিতর্কিত এই প্রধান শিক্ষককে অপসারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

​বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত নিজ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করে চরম অনীহা প্রকাশ করেছেন এবং এ নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। এছাড়া ৫ই আগস্টের পরবর্তী সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নেও তিনি গড়িমসি করেন।

​বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলা, অর্থ আত্মসাৎ ও একাধিক অনিয়মের তদন্ত চলমান রয়েছে। তিনি নিয়মিত সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাংবাদিকদের সাথে অসদাচরণ ও অপেশাদার আচরণ করে আসছেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহর প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবত এসব অপকর্ম করে পার পেয়ে আসছেন বলে সমাবেশে দাবি করা হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—সাবেক অভিভাবক সদস্য মিঞা মোহাম্মদ আলমগীর, ​বিশিষ্ট সমাজসেবক হেমায়েত হোসেন, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এনায়েত মুন্সী, ছাত্রনেতা আকাশসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লিবৃন্দ।

​বক্তারা অবিলম্বে অরুণ চন্দ্র দত্তকে পদ থেকে বরখাস্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে পদায়নের জোর দাবি জানান। অন্যথায় তিন দিন পর বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

ফরিদপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে হুমকি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে হুমকি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক রিপোর্ট

ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক কিশোরীকে (১৪) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর বাদী ও ভুক্তভোগীর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের সদস্যদের সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেলে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায় একই এলাকার রুমান খন্দকার (২০)। পরবর্তীতে তাকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন ও জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ২০ জুন সকালে কৌশলে পালিয়ে এসে পরিবারকে বিষয়টি জানায় ভুক্তভোগী। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর দাদি জহুরন খাতুন বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৭/৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ০৪)।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত রুমান খন্দকার ও তার পরিবার মামলা প্রত্যাহার করার জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছে। শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ প্রোপাগান্ডা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।

পরিবারের দাবী ​সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার অবিলম্বে বন্ধ করা এবং সাইবার সুরক্ষা আইনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সাথে ​ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ​মেডিকেল রিপোর্ট ও ওসিসির প্রমাণাদির ভিত্তিতে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

অবৈধ ড্রেজার বন্ধে ভাঙ্গায় দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

অবৈধ ড্রেজার বন্ধে ভাঙ্গায় দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কৃষিজমি রক্ষা, নদীভাঙন রোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। 

ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপজেলার আলগী ও তুজারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে দিনভর বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি সরাসরি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাদ্রুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে অনুমোদনহীনভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন ও জলাশয় ভরাটের দায়ে একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত শক্তিশালী ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে জলাশয় ভরাট ও ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছিল। এছাড়া বালু উত্তোলন ও পরিবহনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হওয়া এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত মোঃ মিরাজ হাওলাদার (পিতা: হারুন হাওলাদার, গ্রাম: পাখিমারা, থানা: কলাপাড়া, জেলা: পটুয়াখালী) নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাঁকে "বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০"-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায়পূর্বক সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে তাঁর কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।

​অভিযান চলাকালে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্পটে ড্রেজার পরিচালনাকারীদের পাওয়া না গেলেও স্থানীয় এলাকাবাসীকে অবৈধ বালু উত্তোলনের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। নদী ও ফসলি জমি রক্ষায় কোথাও অবৈধ ড্রেজার বসানো হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরো অভিযানে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে ভাঙ্গা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাদরুল আলম জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় নদীভাঙন রোধ ও কৃষিজমির সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের কঠোর অভিযান ও নজরদারি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।