প্রতিদিনের জীবন

প্রতিদিনের জীবন
ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয়

ইসলামী জীবন

অবৈধ ড্রেজার বন্ধে ভাঙ্গায় দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

অবৈধ ড্রেজার বন্ধে ভাঙ্গায় দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কৃষিজমি রক্ষা, নদীভাঙন রোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। 

ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মাহমুদুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপজেলার আলগী ও তুজারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে দিনভর বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি সরাসরি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাদ্রুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে অনুমোদনহীনভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন ও জলাশয় ভরাটের দায়ে একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত শক্তিশালী ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে জলাশয় ভরাট ও ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছিল। এছাড়া বালু উত্তোলন ও পরিবহনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হওয়া এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত মোঃ মিরাজ হাওলাদার (পিতা: হারুন হাওলাদার, গ্রাম: পাখিমারা, থানা: কলাপাড়া, জেলা: পটুয়াখালী) নিজের দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাঁকে "বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০"-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায়পূর্বক সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে তাঁর কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।

​অভিযান চলাকালে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্পটে ড্রেজার পরিচালনাকারীদের পাওয়া না গেলেও স্থানীয় এলাকাবাসীকে অবৈধ বালু উত্তোলনের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। নদী ও ফসলি জমি রক্ষায় কোথাও অবৈধ ড্রেজার বসানো হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরো অভিযানে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে ভাঙ্গা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাদরুল আলম জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় নদীভাঙন রোধ ও কৃষিজমির সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের কঠোর অভিযান ও নজরদারি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান ডেস্ক রিপোর্ট ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলায় জুলাই ২০২৬ মাসে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন। জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় ফরিদপুর জেলার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী। সভায় জুলাই’ ২৬ মাসে সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত ভূমিকার ফলশ্রুতিতে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার, পরোয়ানা নিষ্পত্তি, প্রসিকিউশন দাখিল, মামলা নিষ্পত্তি, দাপ্তরিক কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখায় দায়িত্বশীল ভূমিকা, পেশাদারিত্ব ও কর্মস্পৃহার জন্য প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং অর্থ পুরষ্কার প্রদান করা হয়। ক্রেষ্ট ও অন্যান্য পুরস্কার প্রদান করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সংস্থা হতে আগত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলায় জুলাই ২০২৬ মাসে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় ফরিদপুর জেলার আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী।

সভায় জুলাই’ ২৬ মাসে সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত ভূমিকার ফলশ্রুতিতে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার, পরোয়ানা নিষ্পত্তি, প্রসিকিউশন দাখিল, মামলা নিষ্পত্তি, দাপ্তরিক কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখায় দায়িত্বশীল ভূমিকা, পেশাদারিত্ব ও কর্মস্পৃহার জন্য প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং অর্থ পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

ক্রেষ্ট ও অন্যান্য পুরস্কার প্রদান করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ নিয়াজী। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সংস্থা হতে আগত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি, ভাঙ্গা (ফরিদপুর):

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ‘ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১১ বছর একই কর্মস্থলে অবস্থান করে চরম স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে অবিলম্বে বদলির দাবি জানিয়েছেন স্থাকনীয় বাসিন্দা, আজীবন দাতা সদস্য ও অভিভাবকরা।

​সম্প্রতি এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে অভিযোগপত্রটি জমা দেন মোঃ মনিরুল হক মোল্লা।

​অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে এই একই বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন থাকার সুযোগে তিনি চরম স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছেন এবং কাউকে তোয়াক্কা না করে মনগড়াভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন।

​তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

১. উপস্থিতি ও পাঠদানে অনিয়ম: সরকারি নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করে তিনি নিজের ইচ্ছামত সময়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন। নিয়মিত ও সঠিকভাবে ক্লাসে পাঠদান না করায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

২. স্বেচ্ছাচারিতা ও স্থানীয় রাজনীতিতে লিপ্ত: প্রধান শিক্ষিকা স্থানীয় গ্রাম্য দলাদলি ও নোংরা রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়। তিনি মনগড়া কিছু ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি ও যাবতীয় দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড গোপনীয়ভাবে পরিচালনা করছেন।

৩. দাতা সদস্যকে অবমূল্যায়ন ও আইনি অবহেলা: বর্তমানে বিদ্যালয়ের জায়গা-জমি সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান থাকলেও, বিদ্যালয়ের মান্যবর দাতা সদস্যকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রদান বা কোনো পরামর্শ করা হয় না। এমনকি আইনি বিষয়েও তার সাথে কোনো যোগাযোগ রাখা হয়নি।

৪. ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা: বিদ্যালয়টির অনুকূলে একটি বড় ধরনের সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে (উল্লেখ্য, বিগত ২৭/১১/২০২৩ সালে স্কুলের অনুকূলে একটি ভবনের অনুমোদন হয়)। তবে বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা বহাল থাকলে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির কারণে এই মেগা উন্নয়নমূলক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে লিখিত আবেদনে জানানো হয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার স্বার্থে উক্ত বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা দরকার। একইসাথে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অনতিবিলম্বে স্থানান্তরিত/বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হোসনেয়ারা ইয়াসমিনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পুর্বেও হয়েছে। আমি ২০১১ সাল থেকে এ বিদ্যালয়ে আছি। অভিযোগ যেহেতু আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট দেওয়া হয়েছে, তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে।

ভাঙ্গা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহসিন মোল্লা মুঠোফোনে জানান, আমি সারাদিন সদরপুরে ছিলাম, অভিযোগের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।