প্রধান সংবাদ

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি বিশেষ প্রতিনিধি, ভাঙ্গা (...

প্রতিদিনের জীবন

প্রতিদিনের জীবন
ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয়

ইসলামী জীবন

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি

​ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি, ভাঙ্গা (ফরিদপুর):

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ‘ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১১ বছর একই কর্মস্থলে অবস্থান করে চরম স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে অবিলম্বে বদলির দাবি জানিয়েছেন স্থাকনীয় বাসিন্দা, আজীবন দাতা সদস্য ও অভিভাবকরা।

​সম্প্রতি এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে অভিযোগপত্রটি জমা দেন মোঃ মনিরুল হক মোল্লা।

​অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে এই একই বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন থাকার সুযোগে তিনি চরম স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছেন এবং কাউকে তোয়াক্কা না করে মনগড়াভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন।

​তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:

১. উপস্থিতি ও পাঠদানে অনিয়ম: সরকারি নিয়ম-কানুন তোয়াক্কা না করে তিনি নিজের ইচ্ছামত সময়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন। নিয়মিত ও সঠিকভাবে ক্লাসে পাঠদান না করায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

২. স্বেচ্ছাচারিতা ও স্থানীয় রাজনীতিতে লিপ্ত: প্রধান শিক্ষিকা স্থানীয় গ্রাম্য দলাদলি ও নোংরা রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়। তিনি মনগড়া কিছু ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি ও যাবতীয় দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড গোপনীয়ভাবে পরিচালনা করছেন।

৩. দাতা সদস্যকে অবমূল্যায়ন ও আইনি অবহেলা: বর্তমানে বিদ্যালয়ের জায়গা-জমি সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান থাকলেও, বিদ্যালয়ের মান্যবর দাতা সদস্যকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য প্রদান বা কোনো পরামর্শ করা হয় না। এমনকি আইনি বিষয়েও তার সাথে কোনো যোগাযোগ রাখা হয়নি।

৪. ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা: বিদ্যালয়টির অনুকূলে একটি বড় ধরনের সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে (উল্লেখ্য, বিগত ২৭/১১/২০২৩ সালে স্কুলের অনুকূলে একটি ভবনের অনুমোদন হয়)। তবে বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা বহাল থাকলে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির কারণে এই মেগা উন্নয়নমূলক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষে লিখিত আবেদনে জানানো হয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার স্বার্থে উক্ত বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা দরকার। একইসাথে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অনতিবিলম্বে স্থানান্তরিত/বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হোসনেয়ারা ইয়াসমিনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পুর্বেও হয়েছে। আমি ২০১১ সাল থেকে এ বিদ্যালয়ে আছি। অভিযোগ যেহেতু আমার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট দেওয়া হয়েছে, তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে।

ভাঙ্গা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহসিন মোল্লা মুঠোফোনে জানান, আমি সারাদিন সদরপুরে ছিলাম, অভিযোগের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। 

ফরিদপুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও অসহায় নারীদের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ সেলাই মেশিনসহ নানা উপকরণ বিতরণ

ফরিদপুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও অসহায় নারীদের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ সেলাই মেশিনসহ নানা উপকরণ বিতরণ

ডেস্ক রিপোর্ট 

ফরিদপুর সদর উপজেলায় নদী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অসহায় ও দুস্থ নারী ও মেধাবী ছাত্রীদের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন, বাই সাইকেল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। 

৬ জুলাই (সোমবার) ফরিদপুর সদর উপজেলা চত্বরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

 


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া।

এ সময় নদী ভাঙন কবলিত ৫০ টি পরিবারকে ২ হাজার টাকার চেক, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থ ২১ টি পরিবারকে ১ বান্ডেল করে ঢেউটিন ও তিন হাজার টাকা এবং ৫০ টি পরিবারকে শুকনা খাবার (১০ কেজি চাল, ডাল, তেল, লবন, চিনি, হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া ও ধনিয়া গুড়া) এর প্যাকেট প্রদান করা হয়।

এছাড়াও ২০২৫ - ২০২৬ অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ফরিদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫০ জন অসহায় নারীকে বিনামুল্যে একটি করে সেলাই মেশিন এবং ৪০ জন দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রীকে একটি করে বাই সাইকেল প্রদান করা হয়। 

এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রনব পান্ডেসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ভ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


ফরিদপুরে ১৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সবজি বীজ ও সার বিতরণ

ফরিদপুরে ১৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সবজি বীজ ও সার বিতরণ

ডেস্ক রিপোর্ট 

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সবজি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সবজি বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। 

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১ টায় ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ফরিদপুরে ৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। 

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শামিমা আক্তার শাপলা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ তাবরিজ, মহানগর বিএনপি'র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিনান, কোতোয়ালি বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধুরী রঞ্জন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আনোয়ার হোসেন।এছাড়াও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সদস্য ও কৃষান-কৃষানীরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে ফরিদপুর সদর উপজেলায় ১ হাজার ৫ শত জন কৃষককে প্রতিজনকে ৮ প্রকারের সবজি বীজ, ৩০ কেজি করে রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।

কৃষি কর্মকর্তা জানান, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে সে লক্ষে সরকারের এ উদ্যোগ। প্রতিটি বাড়ির আঙিনা এবং তার আশপাশের পতিত বা অনাবাদি জমি যেন এক একটি সবজি বাগানে পরিণত হয়। এতে প্রত্যেক পরিবার তাদের নিজেদের সবজির চাহিদা পুরন করেও বাকিটা বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে।