প্রধান সংবাদ

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

তুজারপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা বদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, শোকজ

তুজারপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা  বদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, শোকজ ডেস্ক রিপোর্ট  ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর...

প্রতিদিনের জীবন

প্রতিদিনের জীবন
ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয়

ইসলামী জীবন

» »Unlabelled » ফরিদপুরে ৬টি ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

ফরিদপুরে ৬টি ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা


জিল্লুর রহমান রাসেল, ফরিদপুর

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ফরিদপুরে অভিযান চালিয়ে ৬টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্রাইভেট ক্লিনিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এরমধ্যে ৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ২টি প্রাইভেট হাসপাতাল রয়েছে। এদেরমধ্যে কোনোটির লাইসেন্স বা কোনোটির অনুমোদনও ছিলো না বলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান।

বন্ধ করা ৪টি ডায়াগনস্টি সেন্টারের মধ্যে রয়েছে, আল-আকসা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল-বারাকা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাতৃছায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং আরামবাগ ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অপর দুটি ক্লিনিকের মধ্যে রয়েছে, শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে অবস্থিত আস্থা-আইরিশ মৈত্রী প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং আরাম প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সিভিল সার্জন ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের সময় দেখা যায়, আস্থা-আইরিশ মৈত্রী প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকের কোনো অনুমতি নেই। অনুমতি ছাড়াই তারা ওটিতে বিভিন্ন অপারেশনের কাজ করে যাচ্ছে। আরামবাগ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোনো ডাক্তার নেই। ওটিতে নোংরা পরিবেশ, সেখানে টাঙানো পর্দাও নোংরা ছিলো এবং ওটির রুমে রাখা কাপড়গুলো অনেক বেশি নোংরা ছিলো, সেগুলো আমি নিজেই ফেলে দিয়েছি। মাতৃছায়ায় ফ্রিজের মধ্যে ভ্যাকসিনসহ অন্যান্য মেডিসিন ছিলো। যেগুলো রাখার তাদের অনুমতি নেই। এছাড়া ডেঙ্গু পরীক্ষায় তারা অতিরিক্ত ফি নিচ্ছিলো। এরপাশেই অবস্থিত আল বারাকা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে একই অভিযোগের প্রমাণ মিলে। এছাড়া তারা ‘সি’ ক্যাটাগরির ডায়াগনস্টিক সেন্টার হয়েও ‘বি’ ক্যাটাগরির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা এদের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলেছি এবং ১০ দিনের সময় দিয়ে এসেছি। এরমধ্যে সংশোধন না হলে পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করা হবে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।



«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply